সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি নারী জাতির জন্য মুক্তির দিশারী
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা দ্বুহা শরীফ উনার ১১নং
পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاَمَّا
بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ.
অর্থ মুবারক: “আপনার রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে যেই সম্মানিত নিয়ামত মুবারক
দিয়েছেন, সেই সম্মানিত নিয়ামত মুবারক সম্পর্কে
আপনি বর্ণনা করুন।”
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ
اَلنُّعْمَانِ بْنِ بَشِيْرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالىَ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ
اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلتَّحَدَّثُ بِنْعَةِ اللهَ شُكْرٌ
وَّتَرْكُهَا كُفْرٌ وَّ مَنْ لَّا يَشْكُرِ الْقَلِيْلَ لَا يَشْكُرِ الْكَثِيْرَ
وَ مَنْ لَّا يَشْكُرِ النَّاسَ لَا يَشْكُرِ اللهَ.
অর্থ: “হযরত নুমান ইবনে বশির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত নিয়ামত মুবারক সম্পর্কে
বর্ণনা করা শুকরিয়া হিসাবে গন্য এবং বর্ণনা না করা কুফরী। যে ব্যক্তি সামান্য সম্মানিত
নিয়ামত মুবারক পেয়ে শুকরিয়া আদায় করেনা,
সে অধিক
নিয়ামত মুবারক পেয়েও শুকরিয়া আদায় করবে না। যে ব্যক্তি মানুষের শুকরিয়া করে না, সে মহান আল্লাহ পাক উনারও শুকরিয়া আদায় করতে পারবে না। (শুয়াবুল
ঈমান শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা বুঝানো
হয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার প্রিয় হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নেয়ামত মুবারক লাভ করে সেই মহাসম্মানিত নেয়ামত
মুবারক উনার গুরুত্ব উপলব্ধি করার জন্য প্রাপ্ত সম্মানিত নেয়ামত মুবারক সম্পর্কে বর্ণনা
করা ফরজ এবং তা কৃতজ্ঞতারও বহিঃপ্রকাশ। যার বাস্তব প্রমাণ আমরা দেখতে পাই, যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত হিজরত মুবারক করে পবিত্র মদিনা শরীফে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক
রাখেন, তখন পবিত্র মদিনা শরীফ উনার অধিবাসী
উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইস্তেক্ববাল
জানিয়ে পাঠ করেছিলেন-
طَلَعَ
الْبَدْرُ عَلَيْنَا ..... مِنْ ثَنِيَّاتِ الوَدَاعْ
وَجَبَ
الشُّكْرُ عَلَيْنَا .... مَادَعَا للهِ دَاعْ
اَيُّهَا
الْمُبْعُوْثُ فِيْنَا ..... جِئْتَ بِالْاَمْرِالْمُطَاعْ
অর্থ মুবারক: “ছানিয়াতুল বিদা হতে আমাদের উপর পূর্ণচন্দ্র উদিত হয়েছেন। আমাদের
উপর শুকরিয়া করা ফরজ-ওয়াজিব হয়ে গিয়েছে এজন্য যে, দায়ি’ তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য আমাদেরকে সম্মানিত আহবান মুবারক করছেন। হে মহান আল্লাহ
পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আপনি আমাদের মাঝে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন অনুসরণীয় বিষয়বস্তু তথা সম্মানিত
দ্বীন-ইসলাম উনাকে নিয়ে।” সুবহানাল্লাহ! (বিদায়াহ নিহারাহ, রযীন)
ঠিক তদ্রুপ আমরা সাইয়্যিদাতুন নিসা সাইয়্যিদাতুনা
হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে লাভ করার কারণে শুকরিয়া স্বরূপ নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা
প্রকাশার্থে এবং উনার মহাসম্মানিত নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রত্যাশায় উনার বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফাযায়িল-ফযীলত
মুবারক থেকে কিঞ্চিত পরিমাণ তুলে ধরার কোশেশ করব। ইনশাআল্লাহ!
একটি বিশেষ কথা যা না বললেই নয়, হয়ত আমরা অনেকে জানি,
আবার অনেকে
জানি না, তাই উম্মাহর সকলের নিজেদের ফায়দা
হছিলের জন্য বিষয়টি অবগত হওয়া প্রয়োজন। তাছাউফের পরিভাষায় প্রত্যেক মুরিদ তার সম্মানিত
শায়খ থেকেই সমস্ত নিয়ামত মুবারক লাভ করে। তদ্রুপ আমরা মহিলারা যারা মুরিদ দাবি করি, মুহব্বতকারী দাবি করি,
আমরা সকলেই
আমাদের মহাসম্মানিতা, মহাপবিত্রা প্রাণপ্রিয়া
শায়খ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকেই সমস্ত নিয়ামত মুবারক
লাভ করি। কেননা, আমরা পর্দার কারণে সরাসরি
সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুব্রাক ইখতিয়ার
করতে পারি না। তাই আমরা সরাসরি হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার
করি এবং তিনিই আমাদেরকে সমস্ত নিয়ামত মুবারক দিয়ে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, পঞ্চদশ হিজরী শতকের মহান
মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা
হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি একদিকে সাইয়্যিদাতুন নিসা উম্মুল উমাম আলাইহাস
সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যাওজুম মুকাররম, অপরদিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়খ আলাইহিস সালাম। তাই উভয় দিক থেকেই সাইয়্যিদাতুন
নিসা উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনারই
কায়িম-মাক্বাম এবং গোটা মহিলা জাতির শায়েখ বা মুর্শিদ (পথপ্রদর্শক)। সুবহানাল্লাহ!
এখানে আমরা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম
আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান মুবারক তুলে ধরার কোশেশ করবো। কেননা সাইয়্যিদুনা
হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফাযায়িল-ফজীলত
মুবারক উপলব্ধি করা ব্যতীত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফজীলত মুবারকও উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। আমরা যদি লক্ষ্য
করি, ১৩ শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় মুজাদ্দিদ, দ্বিতীয় সহ¯্রাব্দের মুজাদ্দিদ, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ পৃথিবীর
ইতিহাসে এই পর্যন্ত যত হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম এবং হযরত মুজাদ্দিদ
রহমাতুল্লাহি আলাইহিম অতীত হয়েছেন উনারা প্রত্যেকেই হযরত আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদুহ
হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলিফাতুল্লাহ হযরত আছ সাফফাহ আলাইহিস সলাতু
ওয়াস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে এসে
বিশেষ নিয়ামত মুবারক হাছিল করেছেন এবং হাছিল করে যাচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে আমাদের যিনি মহাসম্মানিতা, মহাপবিত্রা শায়েখ সাইয়্যিদাতুনা
হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি কতক্ষণ সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
উনার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেন!!!!!!!!!!!! আর কতটুকু নেয়ামত মুবারক হাছিল
করেন!!!!!!!
এক কথায়, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার যত খিদমত মুবারক
রয়েছে উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি এককভাবে সেই খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দিয়ে সাইয়্যিদুনা
হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে ইতমিনান করেন যা আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়। যার
ফলে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সন্তুষ্ট মুবারক হয়ে উনার সমস্ত
নিয়ামত মুবারক সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন।
এজন্যই সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বেশ কয়েকবার উনার পবিত্র জবান মুবারকে
বিশেষভাবে ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন যে, “আমার সমস্ত নিয়ামত মুবারক
তোমাদের যিনি আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছি।” সুবহানাল্লাহ!
সাধারণত, কাউকে কোনকিছু হাদিয়া করা হলে
তিনি উহার মালিক হয়ে যান। তাই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার যত
লক্বব মুবারক রয়েছেন, যত শান-মান, ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক
রয়েছেন, সমস্ত কিছুর অধিকারিণী হচ্ছেন
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
স্মরণীয় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল
উমাম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনারা সেই মহাসম্মানিত
ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তভূক্ত, যাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র থেকে পবিত্রতম করেই সৃষ্টি
মুবারক করেছেন এবং সৃষ্টিগত ভাবেই আখাছছুল খাছভাবে সমস্ত নিয়ামত মুবারক তথা বেমেছাল
শান-মান, ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক হাদিয়া করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস
সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার
হাক্বীক্বী ক্বায়িম-মাক্বাম হওয়ার কারণে উনার যে বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফযীলত মুবারক
প্রকাশিত হচ্ছে, তা তামাম কায়িনাতবাসী
হাক্বীক্বীভাবে উপলব্ধি করতে পারছে এবং জানতে পারছে। ঠিক তদ্রুপ সাইয়্যিদাতুন নিসা
হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিও হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম
উনাদের হাক্বীক্বী ক্বায়িম-মাক্বাম হিসেবে বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফযীলত মুবারক
উনার অধিকারিণী। অথচ এই বিষয়টি যেভাবে প্রকাশিত হওয়া দরকার সেভাবে প্রকাশিত হচ্ছে না
অর্থাৎ আমরা যারা মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের গোলাম দাবী করি, আমাদের অযোগ্যতা,
অথর্বতার
কারণে সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার
বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান, ফযীলত মুবারক তামাম কায়িনাতবাসীর কাছে যথাযথ প্রকাশ হচ্ছেনা, যার কারণে মানুষ সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা
হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফযীলত মুবারক
যথাযথ জানতে পারছে না, এমনকি উপলব্ধিও করতে পারছে
না।
এখন তামাম কায়িনাতবাসী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক তেমন কিছুই জানে না, যার কারণে কাফির-মুশরিকদের তুচ্ছ প্রভাব-প্রতিপত্তি দেখে তাদের
দিকে রুজু হচ্ছে। যার ফলে তারা সমস্ত রহমত বরকত থেকে মাহরুম হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
কেননা, পূর্ববর্তী মুসলিম উম্মাহ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস
সালাম উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক ব্যাপকভাবে সংরক্ষণ করতেন, প্রচার-প্রসারের ব্যবস্থা করে যেতেন, হয়ত উনারা করে গিয়েছেন কিন্তু পরবর্র্তীতে মুসলমানরা তা যথাযথভাবে
সংরক্ষণ না করার কারণে আজ তামাম কায়িনাতবাসী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ
আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ বেখবর।
একথাগুলো তুলে ধরার কারণ হলো, বর্তমানে আমরাও যদি সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা
হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান,
ফযীলত মুবারক
ব্যাপকভাবে সংরক্ষণ করে তামাম কায়িনাত বাসী,
খাছ করে
গোটা মহিলা জাতির কাছে পৌঁছে দিতে না পারি,
তাহলে পরবর্তী
মুসলিম উম্মাহ তথা কুল-কায়িনাতবাসী ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। যা ভাষায় ব্যক্ত করার
মত নয়। কেননা গোটা মহিলাজাতি তখন কাকে,
কিভাবে অনুসরণ
করবে, বিষয়টি তারা জানবে না। বিষয়টি
সূক্ষ্ম ফিকিরের এবং অত্যন্ত হৃদয় বিদারক।


No comments