Header Ads

Islamic Quotes Urdu Facebook Cover. QuotesGram

ইসলামে হাঁচির বিধান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট



********************************************
ইসলামে ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই। তারপরও খোদ মুসলমানরাই ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে নিজের মহামূল্যবান ঈমান বিসর্জন দিচ্ছে। এমনকি তারা প্রকাশ্যে হাঁচি দিতেও সঙ্কাবোধ করছে। অথচ মহান আল্লাহ পাক বান্দার হাঁচি দেয়াকে পছন্দ করেন।
যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ‏ اِنَّ اللهَ يُـحِبُّ الْعُطَاسَ وَيَكْرَهُ التَّثَاؤُبَ فَاِذَا عَطَسَ اَحَدُكُمْ وَحَـمِدَ اللهَ كَانَ حَقًّا عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ سَـمِعَهُ اَنْ يَقُوْلَ لَهُ يَرْحَـمُكَ اللهُ‏.‏ وَاَمَّا التَّثَاؤُبُ فَاِنَّـمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَاِذَا تَثَاوَبَ اَحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ فَاِنَّ اَحَدَكُمْ اِذَا تَثَاءَبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ‏‏.‏‏
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক হাঁচি দেয়া পছন্দ করেন আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। যদি তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে ‘আল্হামদুলিল্লাহ’ বলে তবে প্রত্যেক মুসলিম শ্রোতার তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা ওয়াজিব। আর হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। কাজেই তোমাদের কোন ব্যক্তির হাই উঠলে সে যেন যথাসম্ভব তা রোধ করে। কেননা কেউ হাই তুললে শয়তান তার প্রতি হাসে।” (বুখারী শরীফ : কিতাবুল আদব : হাদীছ শরীফ নং ৬২২৬)
ইসলাম যেহেতু পূর্ণাঙ্গ তাই হাঁচির দেয়ার বিধানও শরীয়ত বাতলে দিয়েছে।
যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا عَطَسَ وَضَعَ يَدَهُ اَوْ ثَوْبَهُ عَلَى فِيْهِ وَخَفَضَ اَوْ غَضَّ بِـهَا صَوْتَهُ‏.‏
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যখন হাঁচি আসতো তখন তিনি হাত বা কাপড় দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতেন এবং হাঁচির শব্দ নিচু করতেন।” (আবূ দাঊদ শরীফ : কিতাবুল আদব : হাদীছ শরীফ নং ৫০২৯; তিরমিযী শরীফ : ২৭৪৫)

পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ شَـمِّتْ اَخَاكَ ثَلَاثًا فَمَا زَادَ فَهُوَ زُكَامٌ ‏.‏
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমার ভাইয়ের হাঁচির উত্তর ৩ বার দিবে। এরপরও হাঁচি দিতে থাকলে তবে তার মস্তিষ্কে ঠান্ডা লেগেছে (তাই আর জবাব দিতে হবে না)(আবূ দাঊদ শরীফ : কিতাবুল আদব : হাদীছ শরীফ নং ৫০৩৪)

অতএব, ৩ বারের বেশি হাঁচি না দিলে যেখানে কোন ব্যক্তি রোগাক্রান্ত প্রমাণিত হয় না, সেখানে মুসলমানরা কেন এত সঙ্কাবোধ করছে?

No comments

ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য।

  ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য। ডাল খাওয়ার ফলে কলব প্রসারিত হয় এবং চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। পূর্ববর্তী হযরত নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উ...

Powered by Blogger.