ইবলিশ শয়তানের চাল কিন্তু খুব সুক্ষ।এটা ফিকির করতে হবে।
হাদিস শরীফে আছে, হালা্লও
সুস্পষ্ট , হারামও সুস্পষ্ট।
আকাইদের কিতাবে আছে,
শরীয়তে হালাল কে হারাম বা হারাম কে হালাল বলা কুফরী।
এখন আমরা জানি ,ছবি তোলা
হারাম,ভিডিও করা হারাম, গনতন্ত্র করা ,বেপর্দা হওয়া হারাম।
কিয়ামত পর্যন্ত সেটা
হালাল হবে না।কেও হালাল বললে কাফির হয়ে যাবে।
কিন্তু ইবলিশ শয়তান খুব কৌশলে এখানে তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
যখন বাত্বিল ফির্কা আহলে
হাদীস এরা টিভি চ্যানেল খুলে শরীয়ত বিরোধী
কার্যক্রম শুরু করলো ।তখন তথাকথিত সুন্নীরা তারাও পালটা টিভি চ্যানেল খুলল।
কী হল তাতে? দুই দলই হারামে লিপ্ত হলো।আর সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করলো।ইবলিশ
কিন্তু তার কার্যে সফল্কাম হল।
ভিডিও ওয়াজ করা শুরু করল
মালানা মুফতেরা কারন এতে নাকি বেশি ইসলামের খেদমত হবে।নাউজুবিল্লাহ।কেন হারাম থেকে
কি হালাল পয়দা হয়?
এরপর মালানারা ইসলামের
নাম দিয়ে হারাম গনতন্ত্র, নারী নেতৃত্ব শু্রু করলো।নাউজুবিল্লাহ।
তারপর ওয়াজের নামে
প্রজেকট্র দিয়ে।বেপর্দা হতে শুরু করল।
এরা এখন বলা শুরু করল এই যুগে ছবি তোলার দরকার
আছে।নাউজুবিল্লাহ।
গন্তন্ত্র দরকার
আছে।নাউজুবিল্লাহ।
এই যুগে এত পর্দা লাগে না
।নাউজুবিল্লাহ।
আর ইবরাহীম খলীলুল্লাহ
আলাইহিস সালাম ক্বাবা শরীফ নির্মান করার পর আল্লাহ পাক বললেন মানুষকে হজ্জের
আহ্বান করতে।উনি বললেন আয় বারে ইলাহী আমার কন্ঠস্বর কত দূর ই বা যাবে? আল্লাহ পাক
বললেন বলার দায়িত্ব আপনার পৌছানোর মালিক আমি আল্লাহ পাক।সুবহানাল্লাহ।
কী হজ্জের ডাক কি পৌছে
নি?ঘরে ঘরে পৌছেছে।
মনে রাখবেন কুকুর কামড়
দিলে আপ্নিও যদি কুকুরকে কামড় দেন ।তাহলে আপনার ও কুকুরে মাঝে কিন্তু কোন ফারাক
থাকল না।
তেমনি ইস্লামী শরীয়তের
বিরোধীদের জবাব শরীয়তের আলোকেই দিতে হবে।হারাম করে নয়।
আল্লাহ পাক দ্বীনের সহীহ
সমঝ দান করুন।আমীন


No comments