হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন হাযির-নাজির।
মহান আল্লাহ পাক
তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের মধ্যে ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীস্বরূপ পাঠিয়েছি।” (পবিত্র
সূরা ফাতহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৮)
এই পবিত্র আয়াত শরীফের
ব্যাখ্যায় বলা যায় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এই পবিত্র আয়াত শরীফের মধ্যে বলেছেন নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি
সাক্ষীদাতা। আর যিনি সাক্ষীদাতা হন তিনি তো কোনো কিছু না দেখে সাক্ষী দিতে পারেন
না। দুনিয়াবী মেছাল দিলে বুঝা যাবে- যখন কোনো আদালতে বিচার হয় তখন সাক্ষী নেয়া হয়
আর যিনি নিজ চোখে দেখেছে তাকেই সাক্ষীদাতা হিসেবে নেয়া হয়।
মহান আল্লাহ
পাকের হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত কিছু দেখেন। পবিত্র হাদীছ শরীফের মধ্যে ইরশাদ হয়েছে,
মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম আমার নূর সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আমার
নূর থেকেই সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে। (পবিত্র দাইলামী শরীফ)অর্থাৎ নূর হিসেবে
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র হাজির। একটা মেছাল দিলে
বুঝা যাবে, একবার হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আবু
বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলেন,বলুন- হযরত
জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি কোথায়? তখন তিনি চোখ বন্ধ করে
সমস্ত জায়গায় খুঁজে আসলেন এবং বললেন আপনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। এখান থেকে
বুঝা যায় যে, যিনি ছাহাবী উনি যদি মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত
জায়গায় যেতে পারেন; সবকিছু দেখতে পারেন। আর যিনি আখিরী রসূল,
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পারেন না? নাঊযুবিল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম তিনি অবশ্যইসর্বত্রই হাজির ও নাযির- যা বলার অপেক্ষা রাখে না। নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র
হাজির ও নাযির-আমরা যেন সকলে এই বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করতে পারি- মহান আল্লাহ পাক
আমাদেরকে সেই তাওফীক দান করেন। (আমীন)


No comments