মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট দিবস-রজনীসমূহ ও বিষয়সমূহ
“শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ
পাক সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا تُحِلُّوا
شَعَائِرَ اللهِ
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে
অবমাননা করো না অর্থাৎ সম্মান করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা মায়িদাহ শরীফ: সম্মানিত
আয়াত শরীফ ২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ
يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ.
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ
উনাদেরকে তাযীম করলো, সম্মান করলো, নিশ্চয়ই এটা তার অন্তরের তাক্বওয়ার কারণ।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত
সূরা হজ্জ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ
يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ عِنْدَ رَبِّهِ
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ (তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ)
উনাদেরকে তা’যীম করলো, সম্মান করলো, তা তার জন্য তার রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অতি উত্তম।” সুবহানাল্লাহ!
(সম্মানিত সূরা হজ্জ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩০)
উপরোক্ত সম্মানিত আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে شَعَائِرَ اللهِ এবং حُرُمَاتِ اللهِ দুইটি শব্দ মুবারক ব্যবহার হয়েছে।
شَعَائِر শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন
شَعِيْرَة শব্দ মুবারক উনার বহুবচন।
অর্থ- শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক। আর حُرُمَات শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন حُرْمَة শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ-
সম্মানিত বিষয়, পবিত্র বিষয়। সুতরাংشَعَائِرَ اللهِ অর্থ- মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশন
মুবারকসমূহ আর حُرُمَاتِ
اللهِ অর্থ- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ, পবিত্র বিষয়সমূহ। উল্লেখ্য যে, شَعَائِرَ اللهِ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশন
মুবারকসমূহ প্রত্যেকটিই সম্মানিত, পবিত্র। আবার حُرُمَاتِ اللهِ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত
বিষয়সমূহ বা পবিত্র বিষয়সমূহ প্রত্যেকটিই হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার শি‘য়ার বা নিদর্শন
মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে প্রত্যেকটি সম্মানিত ও পবিত্র বিষয়ই হচ্ছেন
‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত।
সুবহানাল্লাহ!
‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ
পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের প্রকারভেদ:
‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ
পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ তিনভাগে বিভক্ত। যথা:
(১). নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত
বা সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারকসমূহ। যেমন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত রওযা শরীফ,
উনার মহাসম্মানিত
বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ ও মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের
তারিখ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ, উনার সাথে সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট দিন, রাত অথবা যেকোনো বিষয়সমূহ। সুবহানাল্লাহ!
(২). মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত
শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং উনাদের সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট
বিষয় মুবারকসমূহ। যেমন-মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ উনাদের সম্মানিত রওযা শরীফ, উনাদের মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক ও মহাসম্মানিত
বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তারিখসমূহ, উনাদের সাথে সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপন্ত বা সংশ্লিষ্ট বিশেষ কোন দিন, রাত অথবা যে কোনো বিষয়সমূহ। সুবহানাল্লাহ! এবং
(৩). সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও উনার
সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারকসমূহ। যেমন- নামায,
রোযা, হজ্জ, যাকাত, কুরবানী ইত্যাদি।
আর এই বিষয়টি সম্মানিত হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত। যেমন সম্মানিত হাদীছ শরীফ
উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ
اَبِـىْ سَعِيْدِ نِ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ
اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِنَّ لِلّٰهِ عَزَّ َجَلَّ
حُرُمَاتٍ ثَلَاثَة مَنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ لَهٗ اَمْرَ دِينِهٖ ودُنْيَاهُ
وَمَنْ ضَيَّعَهُنَّ لَـمْ يَحْفَظِ اللهُ لَهٗ شَيْئًا قِيْلَ وَمَا هُنَّ يَا
رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ حُرْمَةُ الْإِسْلَامِ
حُرْمَتِـىْ وَحُرْمَةُ رَحِمِـىْ.
অর্থ: “হযরত আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে
মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক
করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার
সম্মানিত বিষয় মুবারক তথা শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন তিনটি। যেই ব্যক্তি এই সম্মানিত
বিষয় মুবারক তথা সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকগুলো হিফাযত মুবারক করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীনী ও দুনিয়াবী সমস্ত বিষয় মুবারকগুলো
হিফাযত করবেন। আর যে ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারক উনাদেরকে ইহানত করবে, অবমাননা করবে তথা সম্মান করবে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার কোনো কিছুই হিফাযত করবেন না। সুওয়াল
করা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম, সেই সম্মানিত বিষয় মুবারকগুলো
কী? জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ১. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত হুরমত মুবারক, ২. আমার সম্মানিত হুরমত মুবারক এবং ৩. আমার সম্মানিত হযরত আহলু
বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত হুরমত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (আল মু’জামুল
আওসাত্ব লিত্ব ত্ববারনী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ)
মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে সম্মান করা, তা’যীম-তাকরীম করা ফরযে আইন:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا تُحِلُّوا
شَعَائِرَ اللهِ.
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদের
মানহানী করো না অর্থাৎ সম্মান করো, তা’যীম-তাকরীম করো।” সুবহানাল্লাহ!
(সম্মানিত সূরা মায়িদাহ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ২)
সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে সম্মান
করা, তা’যীম-তাকরীম করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকগুলো উনাদেরকে সম্মান করা, তা’যীম তাকরীম করা অন্তরের পরিশুদ্ধিতার কারণ এবং মহান আল্লাহ
পাক উনার হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভের কারণ:
এই সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ
يُّعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَاِنَّهَا مِنْ تَقْوَى
الْقُلُوْبِ.
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ
উনাদেরকে তা’যীম করলো, সম্মান করলো, নিশ্চয়ই এটা তার অন্তরের তাক্বওয়ার কারণ।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত
সূরা হজ্জ শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ
يُّعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَهٗ عِنْدَ رَبّـِهٖ
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ (তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ)
উনাদেরকে তা’যীম করলো, সম্মান করলো, তা তার জন্য তার রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অতি উত্তম।” সুবহানাল্লাহ!
(সম্মানিত সূরা হজ্জ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩০)
সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে সম্মান
করা, তা’যীম-তাকরীম করা অন্তরের পরিশুদ্ধিতার
কারণ এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভের কারণ।
সুবহানাল্লাহ!
এই উম্মত ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা এই সম্মানিত বিষয় তথা সম্মানিত নির্দশন মুবারক উনাদেরকে যথাযথ
সম্মান করবে, তা’যীম-তাকরীম করবে। অতঃপর যখন
তারা সম্মানিত নিদর্শন মুবারক উনাদেরকে ইহানত করবে, অবমাননা করবে, তখন তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে:
এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ
عيَّاشِ بْنِ اَبـىْ رَبِيْعَةَ الْـمَخْزُوْمِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ
قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ هٰذِهِ
الْاُمَّةُ بِـخَيْرٍ مَّا عَظَّمُوْا هٰذِهِ الْـحُرْمَةَ حَقَّ تَعْظِيْمِهَا
فَاِذَا ضَيَّعُوْا ذٰلِكَ هَلَكُوْا.
অর্থ: “হযরত ‘আইয়্যাশ ইবনে আবী রবী‘আহ মাখযূমী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার
থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এই উম্মত ততদিন পর্যন্ত খায়র বরকত উনার উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা এই সম্মানিত বিষয় তথা সম্মানিত নির্দশন মুবারক
উনাদেরকে যথাযথ সম্মান করবে, তা’যীম-তাকরীম করবে। অতঃপর
যখন তারা সম্মানিত নির্দশন মুবারক উনাদেরকে ইহানত করবে, মানহানি করবে, অবমাননা করবে, তখন তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।” (ইবনে মাজাহ শরীফ,
মিশকাত শরীফ, মিরক্বাত শরীফ)
কাজেই এই উম্মত ততদিন পর্যন্ত খায়র বরকত উনার উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা এই সম্মানিত বিষয় তথা সম্মানিত নির্দশন মুবারক
উনাদেরকে যথাযথ সম্মান করবে, তা’যীম-তাকরীম করবে। অতঃপর
যখন তারা সম্মানিত নির্দশন মুবারক উনাদেরকে ইহানত করবে, মানহানি করবে, অবমাননা করবে, তখন তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।
বর্তমান প্রেক্ষপটে “শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার
বা নিদর্শন মুবারক উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার, সম্মান করার সীমাহীন গুরুত্ব ও তাৎপর্য মুবারক:
ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ
হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় শি‘য়ার বা সম্মানিত নিদর্শন
মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়ীন,
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা
এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট দিবস-রজনীসমূহ ও বিষয়সমূহ। সুবহানাল্লাহ! কাজেই সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন হচ্ছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,
খ¦াতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে, উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত দিবস-রজনী এবং বিষয়সমূহ উনাদেরকে
যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করা, সম্মান করা। যদি তারা
তা করতে পারে, তাহলে তারা নাজাত লাভ করবে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক
লাভ করবে, ইহকাল-পরকালে চূড়ান্ত কামিয়াবী
লাভ করবে, কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন
থেকে মুক্তি পাবে। শুধু তাই নয়, সমস্ত কাফির-মুশরিকরা
সম্মানিত মুসলমান উনাদের গোলামে পরিণত হয়ে যাবে এবং মুসলমানরা আবারো সারা বিশ্বব্যাপী
শাসনকার্য পরিচালনা করবে। সুবহানাল্লাহ! আর যদি তারা তা না করে, তাহলে তারা হালাক হয়ে যাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।”
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ
اَبِـىْ سَعِيْدِ نِ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ
رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ لِلّٰهِ عَزَّ وَجَلَّ
حُرُمَاتٍ ثَلَاثًا مَّنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ لَهٗ اَمْرَ دِيْنِهٖ
وَدُنْيَاهُ وَمَنْ لَّـمْ يَـحْفَظْهُنَّ لَـمْ يـَحْفَظِ اللهُ لَهٗ شَيْئًا
حُرْمَةُ الْاِسْلَامِ وَحُرْمَتِـىْ وَحُرْمَةُ رَحِمِىْ.
অর্থ: “হযরত আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু
তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
নূরে মুজাসসাম
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয় মুবারক হচ্ছেন তিনটি।
যেই ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারকগুলো হিফাযত করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীনী ও দুনিয়াবী সমস্ত বিষয় মুবারকগুলো
হিফাযত করবেন। আর যে ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারকগুলো সংরক্ষণ করবে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার কোনো কিছুই হিফাযত করবেন না। আর সেই
সম্মানিত তিনটি বিষয় মুবারক হচ্ছেন, ১. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম
উনার সম্মানিত হুরমত মুবারক, ২. আমার সম্মানিত হুরমত
মুবারক এবং ৩. আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত
হুরমত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (ত্ববারনী,
মাজমাউয
যাওয়ায়িদ)
অপর বর্ণনায় এসেছে,
عَنْ حَضْرَتْ
اَبِـىْ سَعِيْدِ نِ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ
اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِنَّ لِلّٰهِ عَزَّ َجَلَّ
حُرُمَاتٍ ثَلَاثَة مَنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ لَهٗ اَمْرَ دِينِهٖ ودُنْيَاهُ
وَمَنْ ضَيَّعَهُنَّ لَـمْ يَحْفَظِ اللهُ لَهٗ شَيْئًا قِيْلَ وَمَا هُنَّ يَا
رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ حُرْمَةُ الْإِسْلَامِ
وَحُرْمَتِـىْ وَحُرْمَةُ رَحِمِـىْ.
অর্থ: “হযরত আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে
মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক
করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার
সম্মানিত বিষয় মুবারক তথা শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন তিনটি। যেই ব্যক্তি এই সম্মানিত
বিষয় মুবারক তথা সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে হিফাযত করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীনী ও দুনিয়াবী সমস্ত বিষয় হিফাযত
করবেন। আর যে ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ উনাদেরকে ইহানত করবে, অবমাননা করবে তথা সম্মান করবে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার কোনো কিছুই হিফাযত করবেন না। সুওয়াল
করা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম, সেই সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ
কী? জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ১. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত হুরমত মুবারক, ২. আমার সম্মানিত হুরমত মুবারক এবং ৩. আমার মহাসম্মানিত হযরত
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত হুরমত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (আল
মু’জামুল আওসাত্ব লিত্ব ত্ববারনী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ)
অপর বর্ণনায় এসেছে,
عَنْ حَضْرَتْ
اَبِـىْ سَعِيْدِ نِ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ
رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ لِلّٰهِ عَزَّ وَجَلَّ
ثَلَاثَ حُرُمَاتٍ مَّنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ دِيْنَهٗ وَدُنْيَاهُ وَمَنْ
لَّـمْ يَـحْفَظْهُنَّ لَـمْ يـَحْفَظِ اللهُ دِيْنَهٗ وَلَا اٰخِرَتَهٗ قُلْتُ
مَا هُنَّ قَالَ حُرْمَةُ الْاِسْلَامِ وَحُرْمَتِـىْ وَحُرْمَةُ رَحِمِـىْ.
অর্থ: “হযরত আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি
বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয় মুবারক হচ্ছেন তিনটি।
যেই ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ উনাদেরকে হিফাযত করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীনী ও দুনিয়াবী সমস্ত বিষয় হিফাযত
করবেন। আর যে ব্যক্তি এই সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ হিফযত করবে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীন ও পরকাল কোনো কিছুই হিফাযত করবেন
না। আমি বললাম, সেই সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ
কী? জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, (সেই সম্মানিত তিনটি বিষয় মুবারক হচ্ছেন,) ১. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত হুরমত মুবারক, ২. আমার সম্মানিত হুরমত মুবারক এবং ৩. আমার মহাসম্মানিত হযরত
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত হুরমত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল
হুদা ওয়ার রশাদ শরীফ ৯/১১)
আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার তিনটি সম্মানিত বিষয়
তথা সম্মানিত শি‘য়ার বা নির্দশন মুবারক উল্লেখ করা হয়েছেÑ ১. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত হুরমত মুবারক, ২. আমার সম্মানিত হুরমত মুবারক এবং ৩. আমার সম্মানিত হযরত আহলু
বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত হুরমত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ মহাসম্মাতি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন মহান আল্লাহ
পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক। সুবহানাল্লাহ! কেউ যদি উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে
সম্মান করে, তা’যীম-তাকরীম করে, তাহলে সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম উনাকে যথাযথভাবে সম্মান করতে পারবে, তা’যীম-তাকরীম করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ!
কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَاَحِبُّوْا
اَهْلَ بَــيْـتِـىْ لِـحُبِّىْ.
অর্থ: “আর তোমরা আমার মহাসম্মানিত মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক পেতে হলে, সম্মানিত রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক পেতে হলে আমার মহাসম্মানিত
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী
শরীফ, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফ, ত্ববারনী শরীফ,
শু‘য়াবুল
ঈমান শরীফ)
আর মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে এবং নূরে মুজাসসাম
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মান করলে, তা’যীম-তাকরীম করলে,
সম্মানিত
দ্বীন ইসলাম উনাকে আপসেআপ সম্মান করা হবে,
তা’যীম-তাকরীম
করা হবে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কায়িনাতের
বুকে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। সুবহানাল্লাহ!
কেননা সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে
ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ
عَلِىّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ لِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ
عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَلِىُّ عَلَيْهِ السَّلَامُ اِنَّ الْاِسْلَامَ عُرْيَانٌ
وَّلِبَاسُهُ التَّقْوٰى وَرِيَاشُهُ الْـهُدٰى وَزِيْنَتُهُ الْـحَيَاءُ وَعِمَادُهُ
الْوَرَعُ وَمِلَاكُهُ الْعَمَلُ الصَّالِحُ وَاَسَاسُ الْاِسْلامِ حُبِّـىْ
وَحُبُّ اَهْلِ بَيْتِـىْ.
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, হে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! নিশ্চয়ই সম্মানিত
দ্বীন ইসলাম লেবাসহীন। উনার সম্মানিত লেবাস মুবারক হচ্ছেন তাক্বওয়া, উনার আসবাবপত্র হচ্ছেন হিদায়াত, উনার সৌন্দর্য মুবারক হচ্ছেন লজ্জা, উনার খুঁটি হচ্ছেন পরহেজগারী, উনার কাঠামো হচ্ছেন সম্মানিত আমলে ছলেহ তথা নেক আমল। আর সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার
মূলভিত্তি হচ্ছেন আমার এবং আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের
সম্মানিত মুহব্বত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (জামিউল আহাদীছ ২৩/৩২৩, ৩১/২১৪, জামউল জাওয়ামি’, কাশফুল খফা ১/২৩,
কানযুল
‘উম্মাল ১২/১০৫, তারীখে দিমাশক্ব ৪৩/২৪১, মুখতাছারু তারীখে দিমাশক্ব ৫/৪৭৫ ইত্যাদি)
এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্পষ্টভাবে সমস্ত কায়িনাতবাসীকে জানিয়ে দিয়েছেন যে,
.اَسَاسُ الْاِسْلامِ حُبِّـىْ وَحُبُّ
اَهْلِ بَيْتِـىْ
অর্থ: “সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মূলভিত্তি হচ্ছেন আমার এবং আমার মহাসম্মানিত
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
মূল ব্যতীত যেমন গাছের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনিভাবে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম
উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক ব্যতীতও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অস্তিত্ব কল্পনা
করা যায় না। সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য
ফরয হচ্ছে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, আখাচ্ছুল খাছভাবে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ
হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত
শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা এবং উনাদের সম্মানিত আদেশ-নির্দেশ
মুবারক অনুযায়ী চলা। সুবহানাল্লাহ! তবেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম আবারো পৃথিবীর বুকে সুপ্রতিষ্ঠিত
হবে, প্রতিষ্ঠিত হবে সম্মানিত খিলাফত
আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক কায়িনাতের মাঝে। সুবহানাল্লাহ! মুসলমানরা আবারো ফিরে
পাবে তাদের হারানো ঐতিহ্য। আর কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের দায়িমী গোলামীতে মশগুল
হবে। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে কবূল করুন। আমীন!


No comments