Header Ads

Islamic Quotes Urdu Facebook Cover. QuotesGram

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না



সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْاَبِـىْلَيْلـٰى رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُؤْمِنُ عَبْدٌ حَتّٰى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهٖ وَاَهْلِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ اَهْلِهٖ وَعِتْرَتِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ عِتْرَتِهٖ وَذَاتِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ ذَاتِهٖ.
অর্থ: “হযরত আবূ লায়লা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমি তার নিকট তার নফস তথা জীবন থেকে অধিক প্রিয় না হবো, আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা তার নিকট তার পরিবার থেকে অধিক প্রিয় না হবেন, আমার সম্মানিত বংশধরগণ উনারা তার নিকট তার বংশধর থেকে অধিক প্রিয় না হবেন এবং আমার সম্মানিত যাত মুবারক তার নিকট তার যাত থেকে অধিক প্রিয় না হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (আল মু’জামুল আওসাত্ব লিত্ব ত্ববারনী ৬/৫৯, আল মু’জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারনী ৭/৭৫, জামি‘উল আহাদীছ ১৬/৪৯৩, আছ ছওয়া‘ইকুল মুহরিক্বহ ২/৪৯৫)
অপর বর্ণনায় এসেছে,
عَنْ حَضْرَتْاَبِـىْلَيْلـٰى رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَلَا يُؤْمِنُ عَبْدٌ حَتّٰـى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهٖ وَتَكُوْنَ عِتْرَتِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ عِتْرَتِهٖ وَيَكُوْنَ اَهْلِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ اَهْلِهٖ وَتَكُوْنَ ذَاتِـىْاَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ ذَاتِهٖ.
অর্থ: “হযরত আবূ লায়লা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমি তার নিকট তার নফস তথা জীবন থেকে অধিক প্রিয় না হবো, আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা তার নিকট তার পরিবার থেকে অধিক প্রিয় না হবেন, আমার সম্মানিত বংশধরগণ উনারা তার নিকট তার বংশধর থেকে অধিক প্রিয় না হবেন এবং আমার সম্মানিত যাত মুবারক তার নিকট তার যাত থেকে অধিক প্রিয় না হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (আল মু’জামুল আওসাত্ব লিত্ব ত্ববারনী ৬/৫৯, আল মু’জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারনী ৭/৭৫, জামি‘উল আহাদীছ ১৬/৪৯৩, আছ ছওয়া‘ইকুল মুহরিক্বহ ২/৪৯৫, শু‘আবুল ঈমনা শরীফ ৩/৮৮, দায়লামী শরীফ ৫/১৫৪, আবুশ শায়েখ, তারতীবুল আমালী ১/২০৩,  আল ঈমা’ ৬/২২৯)
সুতরাং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْاَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَلَا يُؤْمِنُ اَحَدُكُمْ حَتّٰـىاَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ وَّالِدِهٖ وَوَلَدِهٖ وَالنَّاسِ اَجْمَعِيْنَ وَفِىْ رِوَايَةٍ اُخْرٰى مِنْ مَّالِهٖ وَنَفْسِهٖ
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত না করবে।” সুবহানাল্লাহ!
অপর বর্ণনায় রয়েছে, নিজের ধন-সম্পদ এবং নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত না করবে। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমদ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)
মূলত  এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনারও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই কেউ যদি ঈমানদার হতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, পারা প্রতিবেশী, সন্তান-সন্ততি, বাবা-মা, ধন-সম্পদ; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করতে হবে। সুবহানাল্লাহ! অন্যথায় সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না।
আর আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, আখাচ্ছুল খাছভাবে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ,মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাকে সমস্ত কিছু থেকে বেশি মুহব্বত করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!


No comments

ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য।

  ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য। ডাল খাওয়ার ফলে কলব প্রসারিত হয় এবং চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। পূর্ববর্তী হযরত নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উ...

Powered by Blogger.