Header Ads

Islamic Quotes Urdu Facebook Cover. QuotesGram

“ছোঁয়াচে রোগ বলতে কোনো রোগ নেই” এটা সম্মানিত শরীয়ত উনার কথা, শরীয়তের কথা বলার অধিকারও কি তারা কেড়ে নিতে চায়?

 Image may contain: text



কাফির মুশরিকরা করোনাকে ছোঁয়াচে রোগ বলে প্রচার করছে আর তাদের এই প্রচারনায় মুসলমানরাও বিশ্বাস করছে। নাউযুবিল্লাহ!
এমতাবস্থায় হক্কানী উলামায়ে কিরাম উনারা মুসলমানদের ঈমান আক্বীদা হিফাযতের লক্ষ্যে প্রচার করছেন যে, সম্মানিত ইসলামে ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই। ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। আর এটা হক্কানী উলামায়ে কিরাম উনাদের নিজস্ব বা মনগড়া কোন কথা নয়। বরং সম্মানিত শরীয়ত উনারই কথা। কেননা অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে এ বিষয়টি উল্লেখ আছে। যেমন-
عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا عَدْوَى وَلَا هَامَةَ وَلَا نَوْءَ وَلَا صفر
অর্থ: “হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণ নেই। তারকার (উদয় বা অস্ত যাওয়ার) দ্বারা ভাগ্য নির্ধারণ ও বৃষ্টি হওয়া বা না হওয়া ভিত্তিহীন এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে অশুভ বলতে কিছুই নেই।” (মুসলিম শরীফ, আবূ দাঊদ শরীফ, মিশকাত শরীফ-৩৯১, তুহফাতুল আশরাফ ১০/২৩৪ ইত্যাদি)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ وَيُعْجِبُنِي الفَأْلُ قَالُوا: وَمَا الفَأْلُ؟ قَالَ كَلِمَةٌ طَيِّبَةٌ
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে কোন রোগ নেই এবং অশুভ বা কুলক্ষণ বলতে কিছুই নেই। শুভ লক্ষণ আমাকে আশ্চার্যান্বিত করে। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনারা বললেন, শুভ লক্ষণ কী? জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, উত্তম কথা।” (বুখারী শরীফ হাদীছ শরীফ নং ৫৭৭৬, মুসলিম শরীফ হাদীছ শরীফ নং ২২২৪, মুসনাদে আহমদ ২০/৩১, মুসনাদে আবী দাঊদ ত্বয়ালসী ৩/৪৬৭, মুসনাদে বায্যার ১৩/৪১৯ ইত্যাদি)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ عَدْوَى وَلاَ صَفَرَ وَلاَ هَامَةَ فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا بَالُ إِبِلِي تَكُونُ فِي الرَّمْلِ كَأَنَّهَا الظِّبَاءُ فَيَأْتِي البَعِيرُ الأَجْرَبُ فَيَدْخُلُ بَيْنَهَا فَيُجْرِبُهَا؟ فَقَالَ فَمَنْ أَعْدَى الأَوَّلَ؟
অর্থ: “হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই এবং পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছুই নেই। তখন একজন বেদুঈন ছাহাবী বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে আমার উটের এ অবস্থা হলো কেন? যে উটগুলো হরিণের মতো তরুতাজা ছিল, যেগুলো ময়দানে স্বাধীনভাবে বিচরণ করত। এমতাবস্থায় কোথা থেকে খুঁজলি-পাঁচড়া যুক্ত একটি উট এসে সে উটের পালে মিলিত হলো এবং উটগুলোকে খুঁজলি-পাঁচড়ায় আক্রান্ত করে দিলো। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, তাহলে প্রথম উটটিকে কে সংক্রমিত করলো? (বুখারী শরীফ হাদীছ শরীফ নং ৫৭১৭, মুসলিম শরীফ হাদীছ শরীফ নং ২২২০, জামি‘উ মা’মার ইবনে রশিদ ১০/৪০৪, আবূ দাঊদ শরীফ ৪/১৭, মুসনাদে বায্যার ১৪/২৮০ ইত্যাদি)
আবূ দাঊদ শরীফ’ উনার ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘মু‘আমিলুস সুনান’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে,
قوله لا عدوى يريد أن شيئاً لا يعدي شيئاً حتى يكون الضرر من قبله وإنما هو تقدير الله جل وعز وسابق قضائه فيه ولذلك قال فمن أعدى الأول . يقول إن أول بعير جرب من الإبل لم يكن قبله بعير أجرب فيعديه وإنما كان أول ما ظهر الجرب في أول بعير منها بقضاء الله وقدره فكذلك ما ظهر منه في سائر الإبل بعد .
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক ‘ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে কিছুই নেই’ উনার দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, কোন কিছুই কোন কিছুকে সংক্রামিত করতে পারে না। আর ক্ষতি (রোগ) যেটা হয়, সেটা তার থেকেই হয়। আর নিঃসন্দেহে এটা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে পূর্বনির্ধারিত এবং পূর্বফায়ছালাকৃত। আর এ কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করলো? তিনি বলেন, নিশ্চয়ই উট হতে যে উটটি প্রথম খুঁজলি-পাঁচড়া যুক্ত হলো, তার পূর্বে তো কোন উট খুঁজলি-পাঁচড়া যুক্ত হয়নি যে, তাকে সংক্রামিত করবে। আর নিশ্চয়ই উটের মধ্য হতে প্রথম উটের মধ্যে যে খুঁজলি-পাঁচড়া প্রকাশ পেয়েছে, এটা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ফায়ছালাকৃত, যেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। অনুরূপভাবে প্রথম উটটির পর বাকি যেই উটগুলোর মধ্যে খুঁজলি-পাঁচড়া প্রকাশ পেয়েছে, সেটাও মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে পূর্বনির্ধারিত ফায়ছালা।” সুবহানাল্লাহ! (মু‘আমিলুস সুনান ৪/২৩৩) অনুরূপ বর্ননা বহু নির্ভরযোগ্য কিতাবে উল্লেখ আছে।
প্রমাণিত হলো যে, “ছোঁয়াচে রোগ বলতে কোনো রোগ নেই। ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরক।” এটা সম্মানিত শরীয়ত উনারই ফায়ছালা। এটা কোনো মানুষের ফায়ছালা নয়। আর সম্মানিত শরীয়ত উনার বিষয়গুলো প্রচার ও প্রকাশ করার অধিকার প্রত্যেক মুসলমানদের রয়েছে। অথচ সরকার মুসলমাদের এ অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চাচ্ছে। ছোঁয়াচের বিরুদ্ধে বললে গ্রেফতার করতেছে। জেল জরিমানা করছে। ভয় দেখাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু যারা সত্যিকারের মুসলমান তারা এ হুমকি ধমককে কখনো ভয় পায়না। তারা শেষ নিশ্বাস থাকা পর্যন্ত হক্ব কথা বলেই যাবেন। ইনশাআল্লাহ!

No comments

ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য।

  ডাল একটি বরকতময় পবিত্র খাদ্য। ডাল খাওয়ার ফলে কলব প্রসারিত হয় এবং চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। পূর্ববর্তী হযরত নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উ...

Powered by Blogger.