রেজাখানী গুরুরা ছবি তোলা হারাম বলে, নফসের ধোঁকায় এখন আবার হালাল বলছে
কোন
মৌলবী কোন বিষয়কে আজকে হারাম, আবার কালকে হালাল বলে এসব মৌলবীদের ইসলামের
পরিভাষায় কি বলে ?
আমি
অনেক কিছুর হিসেব মেলাতে পারি না,
বিজ্ঞপ্তিটি খেয়াল করুন: (ছাপা হয়: দৈনিক
পূর্বকোন , ২০ জানুয়ারি, ২০১৩ )
১) রেজাখানিদের কথিত পীর তৈয়ব শাহ বলছে, ছবি তোলা শরীয়ত বিরোধী।
২) ছবি শরীয়ত বিরোধী হওয়ায় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: রেজাখানিদের কথিত পীর গোষ্ঠী আহমদ শাহ, তৈয়ব শাহ, তাহের শাহ এবং সাবির শাহ এই চারজনের ছবি প্রচার না করতে।
৩) বিজ্ঞপ্তিটি দিয়েছে: “আনজুমানে-এ-রহমানিয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট নামক একটি সংগঠন।
১) রেজাখানিদের কথিত পীর তৈয়ব শাহ বলছে, ছবি তোলা শরীয়ত বিরোধী।
২) ছবি শরীয়ত বিরোধী হওয়ায় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: রেজাখানিদের কথিত পীর গোষ্ঠী আহমদ শাহ, তৈয়ব শাহ, তাহের শাহ এবং সাবির শাহ এই চারজনের ছবি প্রচার না করতে।
৩) বিজ্ঞপ্তিটি দিয়েছে: “আনজুমানে-এ-রহমানিয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট নামক একটি সংগঠন।
ডানপাশের অংশটি খেয়াল করুন:
১) “আনজুমানে-এ-রহমানিয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর ওয়েবসাইট গেলেন
(সূত্র: http://anjumantrust.org/index.php)
২) ডানপাশে খেয়াল করুন চারজনের: আহমদ শাহ, তৈয়ব শাহ, তাহের শাহ এবং সাবির শাহ’র ছবি দেয়া। ছবি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, উক্ত শরীয়ত বিরোধী কাজটি রেজাখানি পীররা খুব পোজ দিয়ে করেছে।
১) “আনজুমানে-এ-রহমানিয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর ওয়েবসাইট গেলেন
(সূত্র: http://anjumantrust.org/index.php)
২) ডানপাশে খেয়াল করুন চারজনের: আহমদ শাহ, তৈয়ব শাহ, তাহের শাহ এবং সাবির শাহ’র ছবি দেয়া। ছবি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, উক্ত শরীয়ত বিরোধী কাজটি রেজাখানি পীররা খুব পোজ দিয়ে করেছে।
কোন
মিল পেলেন ?? না আছে পীরদের আমলে মিল, না আছে তাদের সংগঠনের কথার মিল। এই হলো
রেজখানিদের অবস্থা !! কথা আর কাজে কোন মিল নেই, ঠিক মুনাফিকদের মত।
এবার
আসুন রেজাখানী সর্বোচ্চ গুরুদের ফতোয়ার কিতাবে কি আছে দেখি।
রেজাখানীদের ফতোয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে,
রেজাখানীদের ফতোয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে,
تصوير بنانا يا بنوانابهر حال حرام هے خواه دستي هويا عكسی
অর্থ:
প্রানীর ছবি তৈরী করা বা তৈরী করানো প্রত্যেক অবস্থায় হারাম। চাই হাতে হোক অথবা
ক্যামেরায়, উভয়ের একই হুকুম অর্থাৎ হারাম।”
দলীল-
√ বাহারে শরীয়ত ৩য় খন্ড ১২৩ পৃষ্ঠা
√ বাহারে শরীয়ত ৩য় খন্ড ১২৩ পৃষ্ঠা
রেজাখানীদের
অন্যতম ফতোয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে,
جاندار كی تصوير ير حرام- الا جماع علي تحريم يم التصوير الحيوان- فصنعه حرام بكل حال
প্রানীর
ছবি তৈরী করা শরীয়তে হারাম। (কেননা) প্রানীর ছবি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সকলেই
একমত, সূতরাং ওটা তৈরী করা সর্বঅবস্থায় হারাম।”
দলীল-
√ ফতওয়ায়ে নঈমিয়া ১০ পৃষ্ঠা
√ ফতওয়ায়ে নঈমিয়া ১০ পৃষ্ঠা
উক্ত
কিতাবে আরো উল্লেখ আছে,
جاندار كی تصوير كهينچنا يا كهچو انا مطاق ناجاءز اور حرام هے – خواه قلم سے كهينچی جاے يافوطو سے لی جاے. سب كا ايك حرم هے. اور احاديث وعبارات فقيه سے معلوم هوا كه جاندار كی تصوير بنانا مطلقا ناجاءز هے
অর্থ:
প্রানীর ছবি তৈরী করা বা করানো সাধারণত হারাম। কলম দ্বারা হোক অথবা ক্যামেরার
মাধ্যমে অর্থাৎ যে পদ্ধতিতেই হোক না কেন সকলের একই হুকুম অর্থাৎ হারাম। (কেননা)
সহীহ হাদীস শরীফ সমূহের দ্বারা এটাই প্রমানিত হয় যে, প্রানীর
ছবি তৈরী করা নাজায়িয ও হারাম।”
দলীল-
√ ফতওয়ায়ে নঈমিয়াহ ৪৮ পৃষ্ঠা
√ ফতওয়ায়ে নঈমিয়াহ ৪৮ পৃষ্ঠা
দেখুন
সম্মানিত পাঠক ! রেজাখানী গুরুরাই ছবি আঁকা এবং ক্যামেরায় তোলা অর্থাৎ যেকোন পন্থায় প্রানীর ছবি আঁকা এবং তোলাকে হারাম নাজায়িয বলে ফতোয়া দিয়েছে। নিজেদের সিলসিলার প্রধান মুরুব্বীদের ফতোয়া অগ্রহ্য করে বর্তমানে
কিছু চুনোপুঁটি মার্কা রেজাখানী ছবি তোলা মৌলবী তাহের শা, ছাবের
শা ইত্যাদি রেজাখানীদের বাঁচাতে ছবি তোলা নিয়ে মিথ্যাচার করে ছবি তোলাকে জায়িয
বলে প্রচার করছে। এ থেকেই বোঝা যায় এরা মিথ্যাবাদী মুনাফিক।
হারামকে জায়িয বলার কারনে তাদের ঈমান আছে কিনা নাই সেটার বিচার আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।
হারামকে জায়িয বলার কারনে তাদের ঈমান আছে কিনা নাই সেটার বিচার আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।


No comments