এ ধরনের বিশ্বাস ও বক্তব্যধারী ব্যক্তি কি করে মুসলমান হতে পারে?

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ও উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনা সত্বেও
এবং নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাত আদায় করার পরও অর্থাৎ মুসলমান হিসেবে
পরিচয় দেয়া সত্বেও কেবল আক্বীদাগত পার্থক্যের কারণে তারা ৭৩ দলে বিভক্ত। তন্মধ্যে ৭২
দল জাহান্নামী। আর মাত্র একটি দল জান্নাতী। সম্মানিত জান্নাতী দলটির আক্বীদার মধ্যে, আমলের মধ্যে ও বক্তব্যের মধ্যে কুফরী নেই, যার কারণে তারা জান্নাতী
দল। এ দলটি মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসমাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম
উনাদের আক্বীদা, আমল-আখলাক, সীরত-ছূরত, রীতি-নীতি, মত-পথ ও আদর্শ মুবারকের অনুসরণ করেন।
আর জাহান্নামী ৭২ দলের আক্বীদার মধ্যে, আমলের মধ্যে, বক্তব্যের মধ্যে কুফরী রয়েছে; যার কারণে তারা জাহান্নামী।
গউছুল আ’যম হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ফাতহুর রব্বানী কিতাবে, হযরত ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার তালবীসুল ইবলীস নামক কিতাবে জাহান্নামী
৭২টি দলের বিবরণ উল্লেখ করেছেন। যেমন- মু’তাযিলা, শিয়া, খারিজী, মুরজিয়্যাহ, নাজ্জারিয়াহ, জাবারিয়্যাহ, মুশাব্বেহা। এরা হচ্ছে মূল দল। এদের মধ্যে আবার বিভিন্ন
দল রয়েছে। সব দল মিলে তারা ৭২ দলে বিভক্ত। যাদের আক্বীদা, আমল ও বক্তব্যের মধ্যে কুফরী বিদ্যমান।
উদাহরণ স্বরূপ ক্বওমী-দেওবন্দী সিলসিলার মুরব্বী আশরাফ আলী থানভী, তাকে তার ভক্তবৃন্দ ও অনুসারীরা মুজাদ্দিদ, হাকীমুল উম্মত ইত্যাদি
বলে প্রচার করে। অথচ এই ব্যক্তি তার হিফজুল ঈমান নামক কিতাবের মধ্যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলমে গইব সম্পর্কে লিখতে গিয়ে লিখেছে, উনার ইলমে গইব শিশু, পাগল ও পশুর ন্যায় ছিল। নাউযুবিল্লাহ!
দ্বিতীয়তঃ প্রচলিত ৬ উছূলী তাবলীগ জামায়াত-শিবিরের আমীর ও মুরুব্বীদের আক্বীদা
ও বক্তব্য হচ্ছে, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল ও গুনাহখতা
করেছেন। যার কারণে উনারা তওবা-ইস্তিগফার করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! তারা আরো বলে, অধিকাংশ ছাহাবায়ে কিরাম মূর্খ ছিলেন। নাউযবিল্লাহ!
তৃতীয়তঃ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মওদূদীর বক্তব্য হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনিও ভুল
করেছেন। নাউযুবিল্লাহ!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি নন। নাউযুবিল্লাহ!
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক উনার শানে এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে
মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে এবং হযরত
ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শানে যারা এ ধরনের কুফরী বক্তব্য
প্রদান করে ও বিশ্বাস করে তারা এবং তাদের অনুসারীরা কেউই মুসলমানের অন্তর্ভূক্ত নয়।
বরং তারা চতুষ্পদ পশুর ন্যায় বরং তার চেয়ে নির্বোধ এবং জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত।
নাউযুবিল্লাহ!

No comments